বলাকার ১৮ বছর পূর্তি উদযাপননয়ডার এক বাঙালি সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন · সেক্টর ৬১বলাকার ১৮ বছর পূর্তি উদযাপননয়ডার এক বাঙালি সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন · সেক্টর ৬১
বলাকা — Balaka, Sector 61 Noida

আমরা যা গড়ি

বছরের পর বছর, আমাদের প্যান্ডেল

প্রতি অক্টোবরে বলাকা এমন কিছু গড়ে যা এর আগে এ পাড়া দেখেনি। সেই গড়ে তোলার গল্প।

২০২৬

ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল

ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল
আমাদের প্যান্ডেল কলকাতার বিখ্যাত স্থাপত্য ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের আদলে তৈরি — ৬৩ ফুট উঁচু আর ৬৫ ফুট চওড়া। বাঁশ, কাপড় আর ফোমে গড়া এই শিল্পকর্মটিই এ বছরের প্রধান আকর্ষণ।

প্রতিমা

প্রতিমা

প্রতি বছর আমরা একই কাজ করি। বসি, আলোচনা করি, ভেবেচিন্তে আগে থিম ঠিক করি। তারপর সেই ভাবনার সঙ্গে মানানসই মা দুর্গার প্রতিমা খুঁজতে বেরোই। শুরু থেকে প্রতি বছর এটাই করে এসেছি — গত বছরও তাই করেছিলাম।

প্রয়াত শ্রী সলিল ভট্টাচার্যের কারখানায় আমরা অনেক প্রতিমা দেখেছিলাম, প্রত্যেকটিই সুন্দর। কিন্তু একটি দাঁড়িয়ে ছিল একেবারে পিছনে, চুপচাপ, বাঁশের আড়ালে প্রায় ঢাকা পড়ে। আমরা তাঁকে দেখেছিলাম। মুগ্ধ হয়েছিলাম। তারপর এগিয়ে গিয়ে অন্য একটি প্রতিমা বেছে নিয়েছিলাম।

এ বছরের শুরুতে শ্রী সলিল ভট্টাচার্য পরলোকগমন করেন, আর বলাকার একটি দল শ্রদ্ধা জানাতে যায়। আমরা সেই কারখানায় ফিরে গিয়েছিলাম। আর তিনি সেখানেই ছিলেন — একই জায়গায় দাঁড়িয়ে, যেন অপেক্ষা করেই ছিলেন।

আমরা বসে আলোচনা করিনি। তর্ক করিনি। দলের প্রত্যেকে শুধু জানত: এবার মেলানোর জন্য কোনও থিম নেই, বেছে নেওয়ার কিছু নেই। আমরা তাঁকে বেছে নিইনি। তিনিই আমাদের বেছে নিয়েছেন।

এবার সত্যিই মা দুর্গা বলাকার ঘরে ফিরছেন।

আগের বছরগুলি

২০২৫

সিবেলেস প্যালেস, মাদ্রিদ

মাদ্রিদের নগরভবন, গড়ে উঠল সেক্টর ৬১-তে। প্রতিমার গড়নে রোমান রেখা, অথচ সত্তায় পুরোপুরি শক্তি — শাড়ি আঁকা হয়েছিল মাটির উপরেই, হাতে।

১২টি ছবিই দেখুন →

২০২৪

শান্তি ও সম্প্রীতির মন্দির

সাদা-সোনালি পাঁচটি চূড়া, কমিউনিটি সেন্টারকে ঘিরে এমনভাবে গড়া যে বাড়িটিই মন্দির হয়ে উঠেছিল। সে বছরের প্রতিমা ছিল নীল।

১২টি ছবিই দেখুন →

২০২২

সঙ্গীতের মন্দির

সোনায় মোড়া মন্দিরের সামনেটা, প্রবেশপথের উপরে ত্রিশূল — অতিমারিতে হারানো সঙ্গীত ও সংস্কৃতি জগতের মানুষদের শ্রদ্ধা জানিয়ে।

১২টি ছবিই দেখুন →

২০২০

এ বছর প্যান্ডেল হয়নি

২০২০ সালে কোনও প্যান্ডেল হয়নি। পুজো হয়েছিল ঘরের ভিতরে, মুখে মাস্ক নিয়ে, অনেক কম মানুষ নিয়ে — ঢাক বেজেছিল, প্রতিমা সাজানো হয়েছিল, সে বছর এইটুকুই।

১২টি ছবিই দেখুন →
  • এবিপি আনন্দ — শারদ আনন্দ — নয়ডার বলাকা দুর্গোৎসব কমিটির পুজো

আরও: ২০১৭ বিষ্ণুপুরের মন্দির · ২০১৬ গ্রামের দুর্গামন্দির · ২০১৫ সৌরশক্তি, আমাদের ভবিষ্যৎ · ২০১৪ আইফেল টাওয়ার

শুধু প্যান্ডেল নয়

  • ২০১৯টাটা মোটরস আর মাহিন্দ্রার বৈদ্যুতিক গাড়ি — মাঠে এনে দর্শকদের নিজে চালিয়ে দেখার সুযোগ।
  • ২০১৮মিত্র নামের হিউম্যানয়েড রোবট কথা বলেছিল দর্শক ও শিশুদের সঙ্গে — বলাকার দশম বর্ষে, হাওয়া মহল প্যান্ডেল আর ষাট ফুট এলইডি টুইন টাওয়ারের পাশে।
  • ২০১৬ফিলিপস লাইটিং-এর সঙ্গে দর্শকরাই বেছে নিয়েছিলেন কোন রঙে সাজবেন মা দুর্গা — চোখের সামনেই বদলে যেত আলো। সেই বছরেই পিসিআরএ-র সঙ্গে 'সেভ ফুয়েল সেভ নেশন' আর পথ-নিরাপত্তার বার্তা।
  • ২০১৫প্যান্ডেলের প্রতিটি আলো জ্বলেছিল সেখানেই তৈরি সৌরবিদ্যুতে — কমিউনিটি সেন্টারের ছাদে বসানো প্যানেল থেকে।
  • ২০১৪ষাট ফুট উঁচু আইফেল টাওয়ার, তিন লক্ষ এলইডি-তে সাজানো — বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বার্তা নিয়ে।

২০১৮ থেকে প্রতিটি বছরের নিজস্ব অ্যালবাম আছে গ্যালারিতে। তার আগের বছরগুলো রয়ে গেছে মানুষের ফোনে আর অ্যালবামে — ২০০৮ থেকে ২০১৭-র বলাকার প্যান্ডেলের ছবি থাকলে আমরা দেখতে চাই। balaka061@gmail.com